সংজ্ঞা:
شعر المولود من بطن امه او الذبيحة التى تُذْبَحُ عن المولود يوم سُبُوْعِهِ عند حلق شعره-
‘নবজাত শিশুর মাথার চুল অথবা সপ্তম দিনে নবজাতকের চুল ফেলার সময় যবহকৃত বকরীকে আক্বীক্বা বলা হয়’।[1]
আক্বীক্বার প্রচলন
(১) বুরায়দা (রাঃ) বলেন, জাহেলী যুগে আমাদের কারও সন্তান ভূমিষ্ট হ’লে তার পক্ষ হ’তে একটা বকরী যবহ করা হ’ত এবং তার রক্ত শিশুর মাথায় মাখিয়ে দেওয়া হ’ত। অতঃপর ‘ইসলাম’ আসার পর আমরা শিশু জন্মের সপ্তম দিনে বকরী যবহ করি এবং শিশুর মাথা মুন্ডন করে সেখানে ‘যাফরান’ মাখিয়ে দেই’ (আবুদাঊদ)। রাযীন -এর বর্ণনায় এসেছে যে, ঐদিন আমরা শিশুর নাম রাখি’।[2]
(২) হযরত আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে এসেছে যে, হাসান -এর আক্বীক্বার দিন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কন্যা ফাতেমাকে বলেন, হাসানের মাথার চুলের ওযনে রূপা ছাদাক্বা কর। তখন আমরা তা ওযন করি এবং তা এক দিরহাম (রৌপ্যমুদ্রা) বা তার কিছু কম হয়’।[3]
µ উল্লেখ্য যে, ‘চুলের ওযনে স্বর্ণ অথবা রৌপ্য দেওয়ার ও সপ্তম দিনে খাৎনা দেওয়ার’ বিষয়ে বায়হাক্বী ও ত্বাবারাণী বর্ণিত হাদীছ ‘যঈফ’।[4]
