লিলবর আল-বারাদী
এক নোংরা ও জঘন্য ইতিহাসের স্মৃতিচারণের নাম বিশ্ব ভালবাসা দিবস। এই দিবস প্রগতির নামে নব আবিষ্কৃত পশ্চিমা অপসাংস্কৃতি। এই ইতিহাসটি অনেক পুরোনো। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, যিশু খ্রীষ্ট আগমণের পূর্বে পৌত্তলিকরা দেবতার পূজা করতো এবং দেবতার নামে নানা রকমের আচার অনুষ্টানাদি পালন করতো। অনুষ্টানের কর্মসূচির মধ্যে ছিল যুবতিদের নামে লটারী করা হত। অর্থ্যাৎ লটারিতে যে যুবতির নাম যে যুবকের ভাগ্যে পড়তো, সে যুবক আগামী এক বছর ঐ দিন আসার আগ পর্যন্ত তার সাথে লিভ দুগেদার করবে। ঐদিনকে যুবতি বন্টনের দিনও বলা হতো। ১০ ফেব্রুয়ারি এই অনুুষ্টানের আয়োজন করা হতো। খৃষ্ট ধর্ম মতে যীশু-খ্রীষ্টের ভূমিষ্টের পর তারা তাদের ধর্মীয় নিয়মানুযায়ী এই কুসংস্কার দিবস পরিবর্তন করে ১৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে সাধু পাদ্রির নাম দিয়ে আবারো পালন করতে লাগলো ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ বা ‘বিশ্ব ভালবাসা’ দিবস’। ২৭০ সালের চৌদ্দই ফেব্রুয়ারীর কথা তখন রোমের স¤্রাট ছিলেন ক্লডিয়াস। সে সময় ভ্যালেন্টাইন নামে একজন সাধু, তরুণ যুবক যুবতীদেরকে গোপন পরিণয় মন্ত্র দীক্ষা দিত। এ অপরাধে স¤্রাট ক্লডিয়াস সাধু ভ্যালেন্টাইনের শিরচ্ছেদ করেন। তার এ ভ্যালেন্টাইন নাম থেকেই এ দিনটির নাম করণ করা হয় ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ যা আজকের ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’।
