দুনিয়াতে আল্লাহ্ তা‘আলা পুরুষ ও নারী জাতিকে আলাদাভাবে সৃষ্টি করেছেন। আবার নারী জাতির মধ্যে সাধারণত তিনটি ভূমিকা বিরাজমান। যথা- কন্যা, স্ত্রী ও মা। একজন সুশিক্ষিতা কন্যা সন্তান থেকে যেমন আদর্শবতী ও গুণবতী স্ত্রী হয়, তেমনি সময়ের প্রেক্ষাপটে সে মায়ের ভূমিকায় রূপান্তরিত হয়। ইসলাম নারী জাতির এই তিনটি ভূমিকাকে অতীব গুরুত্বের সাথে দেখেছে। ইসলামী সমাজে নারী জাতি বলতে কন্যা, বোন, স্ত্রী, মা, খালা, ফুফু, দাসী ইত্যাদি বুঝায়। কিন্তু মৌলিকভাবে তারা তিনটি ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। আর এই তিন ভূমিকাকে আলাদাভাবে ইসলামে সম্মানিত করা হয়েছে। ‘একজন নারী যখন কন্যা সন্তান, তখন সে পিতা-মাতার জন্য জাহান্নাম থেকে বাঁচার কারণ’।[1] ‘নারী যখন আদর্শবতী স্ত্রী’র দায়িত্ব পালন করে, তখন সে তার স্বামীর অর্ধেক দ্বীন পূর্ণকারী’।[2] ‘আবার ঐ নারী যখন আদশবর্তী মায়ের ভূমিকাতে, তখন তার পায়ের নীচে সন্তানের জান্নাত থাকে’।[3] সার্বিক বিবেচনায় এটাই প্রতীয়মান হয় যে, ১৪০০ বছর পূর্বে এই তিন ভূমিকাতে নারীদের সম্মান, প্রতিপত্তি এবং প্রগতিশীল সম্মাননা একমাত্র ইসলামই দিয়েছে। নিম্নে তার বিবরণ উপস্থাপন করা হ’ল।
