--মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ الأَنْصَارِىِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا ذِئْبَانِ جَائِعَانِ أُرْسِلاَ فِى غَنَمٍ بِأَفْسَدَ لَهَا مِنْ حِرْصِ الْمَرْءِ عَلَى الْمَالِ وَالشَّرَفِ لِدِينِهِ-
হযরত কা‘ব বিন মালেক আনছারী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেছেন যে, দু’টি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে ছাগপালের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া অত বেশী ধ্বংসকর নয়, যত না বেশী মাল ও মর্যাদার লোভ মানুষের দ্বীনের জন্য ধ্বংসকর।[1] জাবের (রাঃ)-এর বর্ণনায় এসেছে غَابَ عَنْهَا رِعَاؤُهَا ‘যখন ছাগপালের রাখাল অনুপস্থিত থাকে।[2] রাবী হ’লেন, তাবূক যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে থাকা সেই বিখ্যাত তিনজন ধনাঢ্য ও নেতৃস্থানীয় ছাহাবীর অন্যতম যারা যথার্থ কোন অজুহাত ছাড়াই জিহাদে গমন থেকে বিরত ছিলেন। পরে তারা ভুল স্বীকার করে তওবা করেন, যা পঞ্চাশ দিন পরে কবুল হয় এবং তাদের ক্ষমা করে আয়াত নাযিল হয় (তওবা ৯/১১৮)।
আলোচ্য হাদীছটি দুনিয়ার লোভে দ্বীন নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দেওয়া অত্যন্ত মূল্যবান একটি দৃষ্টান্ত। রাতের বেলা রাখালবিহীন ছাগলের খোয়াড়ে ঢুকে দু’টি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘ যেভাবে ইচ্ছামত ছাগল মেরে চিরে নাস্তানাবূদ করে। যার হামলা থেকে কোন ছাগলই রেহাই পায় না। অনুরূপভাবে অর্থ-সম্পদ এবং নাম-যশ ও পদের লোভ মুমিনের ঈমানকে নির্বাপিত করে দেয় ও দ্বীনকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়।
