---মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
وَإِنْ طَائِفَتَانِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ اقْتَتَلُوا
فَأَصْلِحُوا بَيْنَهُمَا فَإِنْ بَغَتْ إِحْدَاهُمَا عَلَى الْأُخْرَى
فَقَاتِلُوا الَّتِي تَبْغِي حَتَّى تَفِيءَ إِلَى أَمْرِ اللهِ فَإِنْ فَاءَتْ
فَأَصْلِحُوا بَيْنَهُمَا بِالْعَدْلِ وَأَقْسِطُوا إِنَّ اللهَ يُحِبُّ
الْمُقْسِطِينَ- إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ فَأَصْلِحُوا بَيْنَ
أَخَوَيْكُمْ وَاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ- (الحجرات
৯-১০)-
‘যদি মুমিনদের দুই দল পরস্পরে
যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তাহ’লে তোমরা তাদের মধ্যে সন্ধি করে দাও। অতঃপর যদি তাদের একদল
অপর দলের উপর সীমালংঘন করে, তাহ’লে তোমরা ঐদলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, যে সীমালংঘন করে। যতক্ষণ না তারা আল্লাহর নির্দেশের (সন্ধির) দিকে ফিরে আসে। অতঃপর যদি তারা ফিরে
আসে তাহ’লে তোমরা উভয় দলের মধ্যে ন্যায়ানুগভাবে মীমাংসা করে দাও এবং ন্যায়বিচার কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ
ন্যায়বিচারকারীদের ভালবাসেন’। ‘মুমিনগণ পরস্পরে ভাই ব্যতীত নয়। অতএব তোমরা তোমাদের দু’ভাইয়ের মধ্যে
সন্ধি করে দাও। আর আল্লাহকে ভয় কর। তাতে তোমরা
অনুগ্রহপ্রাপ্ত হবে’ (হুজুরাত ৪৯/৯-১০)।
উপরের আয়াত দু’টি ইসলামী সমাজ পরিচালনায় স্থায়ী মূলনীতি ও চিরন্তন
দিগদর্শন সমতুল্য। কারণ সমাজবদ্ধ জীবনে
পরস্পরে দ্বন্দ্ব হওয়াটা স্বাভাবিক। সঙ্গে সঙ্গে সেই দ্বন্দ্ব নিরসনের পন্থা থাকাটাও আবশ্যিক। সব সমাজেই এটা আছে। তবে ইসলামী সমাজে এর
জন্য কিছু বিশেষ নীতিমালা রয়েছে। যা মেনে চলা সকল মুমিনের জন্য অপরিহার্য।
