---লিলবর আল-বারাদী
সারা বিশ্বে প্রগতির লু হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। সকলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একই। প্রগতিশীল সমাজ বিজ্ঞানীদের ধারনা নারী সমাজটা পরিবর্তন করা উচিৎ। সেকেলের সমাজ ব্যবস্থায় সার্বিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হয় নাই, বিধায় প্রগতিশীল সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে তা পরিবর্তন করা সমীচীন। এরই ধারাবাহিকতায় নারী অধিকার অন্যতম। নারী অধিকার মানেই নারীর সার্বিক সম্মান। সার্বিক স্থানে প্রগতিশীল পুরুষ নারীকে দিতে চায় অধিকার এবং নারীও তা গ্রহণে সর্বাত্মক আগ্রহী। সারা বিশ্বের প্রগতিশীল সমাজ যখন নারী অধিকারের নামে মিটিং, মিছিল, আন্দোলন করছে; ঠিক তেমনি বাংলাদেশের প্রগতিশীল অবলা নারী সমাজও তাদের চেয়ে পিছিয়ে নয়। নারীকে দেশের সরকারী চাকুরীতে ৬০% এবং ছেলেদেরকে ৪০% অধিকার। বহির্বিশ্বে সন্তান তার মায়ের পরিচয়ে বেড়ে উঠে। কিন্তু বাংলাদেশে তা এখনও হয় নাই। তবে পিতার পাশাপাশি মাতার নামের সংযোজন হয়েছে।
বর্তমান বিশ্বে নারীদেরকে পণ্য হিসাবে পরিগণিত করেছে। তথাকথিত সুশিক্ষিত সুসভ্য জাতি ও প্রগতির ধ্বজাধারীরা ইসলামে অশ্লীলতা বিস্ফোরনে মূল উপাদান নারীদেরকে দেয়া মান সম্মান ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে তাদেরকে শুধু ভোগের সামগ্রী হিসাবে বিশ্ব সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার ফলে নানা ধরনের নারী ঘটিত অপরাধ প্রবণতা বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিঘিœত হচ্ছে নারী জাতির নিরাপত্তা। প্রকোটভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে নারী স্বাধীনতার নামে অশ্লীলতা।
নারীদেরকে সিনেমা, টেলিভিশন, থিয়েটার, বিজ্ঞাপন, পত্র-পত্রিকায় নগ্ন, অর্ধনগ্ন অবস্থায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। নায়ক নায়িকাদের যৌন আবেদন মূলক অশ্লীল, অশোভন অভিনয়, নাচ-গান, বেহায়াপনা, স্পর্শকাতর গোপন অঙ্গ প্রত্যঙ্গসহ উত্তেজনা সৃষ্টিকারী দেহ প্রদর্শন করার ফলে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে কুৎসিত চিন্তা চেতনা জাগ্রত করার মাধ্যমে কামোদ্দীপনা সৃষ্টি করে যুবসামজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। নারী জাতির এ বেহাল অবস্থা দর্শন করে সর্বস্তরের জনসাধারণ হারিয়ে ফেলেছে নারীদেরকে মা বোনদের মত সম্মান করার মন মানসিকতা, তারা হারাতে বাধ্য হয়েছে তাদের হৃদয়ের পবিত্রতা। মানুষ কত নীচে নামতে পারে এবং তাদের নগ্নতা ও অশ্লীলতা কিভাবে দুনিয়ার সামনে উপস্থাপন করা যায় তার প্রতিযোগীতা শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের রীতা টেম্পিলটন নামে জৈনক মহিলা চার সন্তানের জননী পেশায় একজন লেখিকা। সে তার সন্তানদের নারী শরীর সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা দিতে নগ্ন হবেন তাদের সম্মূখে। নারী শরীরকে পণ্য করে তোলার প্রতিবাদে রীতার এই অভিনব ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়েছে বহু প্রগতিশীল মানুষ।
সারা বিশ্বে প্রগতির লু হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। সকলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একই। প্রগতিশীল সমাজ বিজ্ঞানীদের ধারনা নারী সমাজটা পরিবর্তন করা উচিৎ। সেকেলের সমাজ ব্যবস্থায় সার্বিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হয় নাই, বিধায় প্রগতিশীল সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে তা পরিবর্তন করা সমীচীন। এরই ধারাবাহিকতায় নারী অধিকার অন্যতম। নারী অধিকার মানেই নারীর সার্বিক সম্মান। সার্বিক স্থানে প্রগতিশীল পুরুষ নারীকে দিতে চায় অধিকার এবং নারীও তা গ্রহণে সর্বাত্মক আগ্রহী। সারা বিশ্বের প্রগতিশীল সমাজ যখন নারী অধিকারের নামে মিটিং, মিছিল, আন্দোলন করছে; ঠিক তেমনি বাংলাদেশের প্রগতিশীল অবলা নারী সমাজও তাদের চেয়ে পিছিয়ে নয়। নারীকে দেশের সরকারী চাকুরীতে ৬০% এবং ছেলেদেরকে ৪০% অধিকার। বহির্বিশ্বে সন্তান তার মায়ের পরিচয়ে বেড়ে উঠে। কিন্তু বাংলাদেশে তা এখনও হয় নাই। তবে পিতার পাশাপাশি মাতার নামের সংযোজন হয়েছে।
বর্তমান বিশ্বে নারীদেরকে পণ্য হিসাবে পরিগণিত করেছে। তথাকথিত সুশিক্ষিত সুসভ্য জাতি ও প্রগতির ধ্বজাধারীরা ইসলামে অশ্লীলতা বিস্ফোরনে মূল উপাদান নারীদেরকে দেয়া মান সম্মান ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে তাদেরকে শুধু ভোগের সামগ্রী হিসাবে বিশ্ব সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার ফলে নানা ধরনের নারী ঘটিত অপরাধ প্রবণতা বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিঘিœত হচ্ছে নারী জাতির নিরাপত্তা। প্রকোটভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে নারী স্বাধীনতার নামে অশ্লীলতা।
নারীদেরকে সিনেমা, টেলিভিশন, থিয়েটার, বিজ্ঞাপন, পত্র-পত্রিকায় নগ্ন, অর্ধনগ্ন অবস্থায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। নায়ক নায়িকাদের যৌন আবেদন মূলক অশ্লীল, অশোভন অভিনয়, নাচ-গান, বেহায়াপনা, স্পর্শকাতর গোপন অঙ্গ প্রত্যঙ্গসহ উত্তেজনা সৃষ্টিকারী দেহ প্রদর্শন করার ফলে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে কুৎসিত চিন্তা চেতনা জাগ্রত করার মাধ্যমে কামোদ্দীপনা সৃষ্টি করে যুবসামজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। নারী জাতির এ বেহাল অবস্থা দর্শন করে সর্বস্তরের জনসাধারণ হারিয়ে ফেলেছে নারীদেরকে মা বোনদের মত সম্মান করার মন মানসিকতা, তারা হারাতে বাধ্য হয়েছে তাদের হৃদয়ের পবিত্রতা। মানুষ কত নীচে নামতে পারে এবং তাদের নগ্নতা ও অশ্লীলতা কিভাবে দুনিয়ার সামনে উপস্থাপন করা যায় তার প্রতিযোগীতা শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের রীতা টেম্পিলটন নামে জৈনক মহিলা চার সন্তানের জননী পেশায় একজন লেখিকা। সে তার সন্তানদের নারী শরীর সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা দিতে নগ্ন হবেন তাদের সম্মূখে। নারী শরীরকে পণ্য করে তোলার প্রতিবাদে রীতার এই অভিনব ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়েছে বহু প্রগতিশীল মানুষ।
