• আমাদের দাওয়াত : সকল বিধান বাতিল কর, অহি-র বিধান কায়েম কর। আসুন! পবিত্র কুর‘আন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি।
Showing posts with label চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে ছিয়াম সাধনা. Show all posts
Showing posts with label চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে ছিয়াম সাধনা. Show all posts

30 May, 2018

চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে ছিয়াম সাধনা

--- লিলবর আল-বারাদী
 পূর্বাভাষঃ

‘ছাওম’ আরবী শব্দ। এর অর্থ- বিরত থাকা, সংযম, নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি। মানব জাতির প্রতি আল্লাহ তা’আলার আদেশ সমূহের মধ্যে ‘ছিয়াম’ অন্যতম। ছিয়াম একটি আধ্যাত্মিক ইবাদত। সিয়ামের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব হচ্ছে মানুষকে মুত্তাক্বী বা আল্লাহভীরু করা। হিজরী দ্বিতীয় সনে সিয়াম ফরয হয়। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ [٢:١٨٣]

‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর ছিয়াম ফরয করা হয়েছে যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাক্বওয়া অর্জন করতে পার’[1]।

ছিয়াম সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রামাযানের ছিয়াম পালন করে, তার বিগত সকল গুনাহ (সগীরা) মাফ করে দেওয়া হয়’[2]।

আমরা অনেকেই মনে করি, ছিয়াম সাধনার ফলে গুনাহ মাফ হয় ঠিকই, কিন্তু শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য তা ভীষণ ক্ষতিকর। সারা মাস ছিয়াম পালনের ফলে শরীর-স্বাস্থ্যের পুষ্টি সাধনে বাধাপ্রাপ্ত হয় ইত্যাদি। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের মাধ্যমে চির শাশ্বত তথ্যের সত্যতা বেরিয়ে এসেছে যে, ছিয়াম শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়; বরং অত্যন্ত উপকারী এবং স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক। ছিয়াম নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটন করেছেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডাঃ হেপোক্রেটিস বহু শতাব্দী পূর্বে বলেছেন, The more you nourish a diseased body the worse you make it. অর্থাৎ ‘অসুস্থ দেহে যতই খাবার দিবে, ততই রোগ বাড়তে থাকবে’। সমস্ত দেহে সারা বছরে যে জৈব বিষ (Toxin) জমা হয়, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার ফলে সে জৈব বিষ দূরীভূত হয়। তাছাড়া মানুষের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর সিয়াম প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। নিম্নে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে সিয়ামের গুরুত্ব আলোচনা করা হ’ল-