ড. শিহাবুদ্দীন আহমাদ সহকারী শিক্ষক, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
অনুকম্পা নয়; বরং আল্লাহ্র পক্ষ থেকে তাদের জন্য নির্ধারিত অংশ।
মীরাছের আয়াত সমূহ নাযিল হ’লে আরবদের কাছে তা অত্যন্ত কঠিন বলে মনে হয়। তাই তারা এ হুকুমের বিলুপ্তি কামনা করতে থাকে। কেননা এ নির্দেশ ছিল তাদের অভ্যাসের পরিপন্থী।
ইবনু আববাস (রাঃ) হ’তে ইবনু জারীর ত্বাবারী বর্ণনা করেন, যখন ফারায়েয সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ হ’ল, যাতে আল্লাহ তা‘আলা পুত্র ও কন্যা সন্তান এবং পিতা-মাতার অংশ নির্দিষ্ট করেছেন, তখন অনেকেই তা অপসন্দ করল। তারা বলল, স্ত্রীকে এক-চতুর্থাংশ বা এক-অষ্টমাংশ এবং মেয়েকে অর্ধেক ও ছোট শিশুকেও সম্পদ প্রদান করা হয়েছে। অথচ তারা কেউই গোত্রের প্রতিরক্ষার জন্য যুদ্ধ করে না এবং যুদ্ধলব্ধ সম্পদ লাভ করতে পারে না। তাই এ হাদীছ সম্পর্কে নীরব থাক। সম্ভবতঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এটা ভুলে যাবেন অথবা আমরা তাঁকে এ হুকুম পরিবর্তনের জন্য বলব। কেউ কেউ বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা কি শিশুকেও মীরাছ দিব, অথচ তারা কোন কাজে আসে না? মেয়েকে কি তার পিতার পরিত্যক্ত সম্পদের অর্ধেক দেব, অথচ সে ঘোড়ার পিঠে আরোহণ করতে জানে না এবং গোত্রের জন্য যুদ্ধ করে না।
