সূরা ইখলাছ
(বিশুদ্ধ করণ)
মক্কায় অবতীর্ণ।
সূরা ১১২, আয়াত ৪, শব্দ ১৫, বর্ণ ৪৭।
بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।
| (১) বল, তিনি আল্লাহ এক |
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
|
| (২) আল্লাহ মুখাপেক্ষীহীন |
اللَّهُ الصَّمَدُ
|
| (৩) তিনি (কাউকে) জন্ম দেননি এবং তিনি (কারও) জন্মিত নন |
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
|
| (৪) তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। |
وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ
|
বিষয়বস্ত্ত :
আল্লাহ স্বীয় সত্তা ও গুণাবলীতে একক ও অনন্য এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই- সেকথাই আলোচিত হয়েছে পুরা সূরাটিতে।
শানে নুযূল :
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বলেন, মুশরিকরা বলেছিল, انْسُبْ لَنَا رَبَّكَ فَأَنْزَلَ اللهُ ‘আমাদেরকে তোমার রব-এর বংশধারা বল। তখন অত্র সূরাটি নাযিল হয়’।[1] ইকরিমা বলেন, ইহুদীরা বলত, আমরা ইবাদত করি আল্লাহর বেটা ওযায়েরকে। নাছারারা বলত, আমরা ইবাদত করি আল্লাহর পুত্র মসীহ ঈসাকে। মজূসীরা বলত, আমরা ইবাদত করি সূর্য ও চন্দ্রের। মুশরিকরা বলত, আমরা ইবাদত করি মূর্তি-প্রতিমার। তখন আল্লাহ তাঁর রাসূলের উপর অত্র সূরা নাযিল করেন (ইবনু কাছীর)। রাবী মাদানী হ’লেও মক্কার ঘটনা বলায় কোন সমস্যা নেই। তিনি মাক্কী ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) প্রমুখদের কাছ থেকে ঘটনা শুনে বলতে পারেন। রিজালশাস্ত্রের পরিভাষায় একে ‘মুরসাল ছাহাবী’ বলা হয়, যা সর্বজনগ্রাহ্য।
