লিলবর আল-বারাদী
ভূমিকা: একটি ভালো বন্ধু, জীবনের একটি অমূল্য সম্পদ। সৎ বন্ধু গ্রহণ ও অসৎ বন্ধু ত্যাগ করতে হবে। কোন ব্যক্তিকে জানতে ও বুঝতে চাইলে তার বন্ধুমহল কেমন তা দেখতে হবে। সৎ বন্ধু দ্বারা সামান্যতম হলেও ভালো কিছু আসা করা যায়। এমনকি যদি তার অজান্তে কোন ক্ষতি হয়, তবে সে বন্ধু ব্যথিত হয়ে তার সমাধান করার চেষ্টা করে, শান্তনা দেয়। তাই সৎ বন্ধুদের আর সত্যবাদী সাথীদের সাথে থাকার নির্দেশ দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَكُوْنُواْ مَعَ الصَّادِقِيْنَ ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক’ (তওবা ৯/১১৯) আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দেয় এবং মšদ থেকে বিরত রাখে। ছালাত প্রতিন্ঠা করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবন যাপন করে। এদেরই উপর আল্লাহ্ তা'আলা দয়া করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী। (তাওবাহ-৭১)
অসৎ বন্ধু ত্যাগ করা : অসৎ, চারিত্রহীন, বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা উচিৎ নয়। এমনকি যারা মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের শত্রু তাদেরকেউ নয়। এমর্মে মহান আল্লাহ বলেন, মুমিনগণ, তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধরূপে গ্রহণ করো না (মুমতাহিনা-১)। আর তারা কেবল তাদেরই বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে এবং ঈমানদার মুসলমানকে বিতাড়িত করে ও তাদের সাথে যুদ্ধ করে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, আল্লাহ্ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেছে এবং বহিস্কারকার্যে সহায়তা করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে তারাই জালেম (মুমতাহিনা-৯)। মোদ্দা কথা মহান আল্লাহ যাদের প্রতি রুষ্ট তাদেরকে বন্ধু বানানো অনুচিৎ। এমর্মে মহান আল্লাহ বলেন, মুমিনগণ, আল্লাহ্ যে জাতির প্রতি রুষ্ট, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না। তারা পরকাল স¤পর্কে নিরাশ হয়ে গেছে যেমন কবরস্থ কাফেররা নিরাশ হয়ে গেছে (মুমতাহিনা-১৩)।
ভূমিকা: একটি ভালো বন্ধু, জীবনের একটি অমূল্য সম্পদ। সৎ বন্ধু গ্রহণ ও অসৎ বন্ধু ত্যাগ করতে হবে। কোন ব্যক্তিকে জানতে ও বুঝতে চাইলে তার বন্ধুমহল কেমন তা দেখতে হবে। সৎ বন্ধু দ্বারা সামান্যতম হলেও ভালো কিছু আসা করা যায়। এমনকি যদি তার অজান্তে কোন ক্ষতি হয়, তবে সে বন্ধু ব্যথিত হয়ে তার সমাধান করার চেষ্টা করে, শান্তনা দেয়। তাই সৎ বন্ধুদের আর সত্যবাদী সাথীদের সাথে থাকার নির্দেশ দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَكُوْنُواْ مَعَ الصَّادِقِيْنَ ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক’ (তওবা ৯/১১৯) আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দেয় এবং মšদ থেকে বিরত রাখে। ছালাত প্রতিন্ঠা করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবন যাপন করে। এদেরই উপর আল্লাহ্ তা'আলা দয়া করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী। (তাওবাহ-৭১)
অসৎ বন্ধু ত্যাগ করা : অসৎ, চারিত্রহীন, বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা উচিৎ নয়। এমনকি যারা মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের শত্রু তাদেরকেউ নয়। এমর্মে মহান আল্লাহ বলেন, মুমিনগণ, তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধরূপে গ্রহণ করো না (মুমতাহিনা-১)। আর তারা কেবল তাদেরই বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে এবং ঈমানদার মুসলমানকে বিতাড়িত করে ও তাদের সাথে যুদ্ধ করে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, আল্লাহ্ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেছে এবং বহিস্কারকার্যে সহায়তা করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে তারাই জালেম (মুমতাহিনা-৯)। মোদ্দা কথা মহান আল্লাহ যাদের প্রতি রুষ্ট তাদেরকে বন্ধু বানানো অনুচিৎ। এমর্মে মহান আল্লাহ বলেন, মুমিনগণ, আল্লাহ্ যে জাতির প্রতি রুষ্ট, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না। তারা পরকাল স¤পর্কে নিরাশ হয়ে গেছে যেমন কবরস্থ কাফেররা নিরাশ হয়ে গেছে (মুমতাহিনা-১৩)।
